Mission Extreme Review and Explained Bangla

Movie Review:MissionExtreme

Mission Extreme দেখার সময় আপনি শুরুতেই realize করতে পারবেন গল্পটা আসলেই intense। শুরুতেই বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের প্রভাবের বিষয়গুলো যেভাবে দেখানো হয় সেগুলো দেখলে কিন্তু আসলেই গা ছমছমে ব্যাপার তৈরী হয়। কারণ এই ভয়ানক তান্ডব গুলো আসলেই বাংলাদেশে হয়েছে তাই আপনি সহজে গল্পের সাথে connected হয়ে যান। কিন্তু সমস্যা ছিল সেই চেনা পরিচিত গল্পকে বেশি টানার কারণে এক ঘেয়েমি একটা ভাব চলে আসে এই মুভির 1st Half এ । যদিও এর 2nd half এ আপনি কিছু trilling মুহুত ও nail biting moments পাবেন যা এই মুভিকে সেই এক ঘেয়েমি ভাব থেকে অনেকটা বের করে নিয়ে আসে।

# মুভির arrangement নিয়ে কথা বলি, তাহলে arrangement আসলেই বড় ছিলো। এছাড়া side role এ অনেক ভালো ভালো আর্টিস্টদেরকেও দেখা গেছে কিন্তু দুঃখের বিষয় কোনো আর্টিস্টের রোলই impact full ছিলোনা। অবশ্য এখানে আর্টিস্টদের কোনো দোষ নেই, তাদের screen time এত কম ছিলো যে impact full কিছু করার মতো আসলে সুযোগ ছিলো না। হতে পারে ২য় কিস্তিতে তাদের role গুলো strong হবে।

এখন যদি প্রধান চরিত্রে গুলো নিয়ে কথা বলি, তাহলে বলবো arifin shuvoo যে এই সিনেমার জন্য আসলেই হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেছে সেটা আপনি arifin shuvoo এর লুক দেখলেই বুঝবেন। একজন action হিরোর লুক তার physical structure যেমন হওয়া উচিত arifin shuvoo এর ঠিক তেমনি ছিলো। আর অভিনয়ের কথায় যদি আসি, তাহলে বলবো ঢাকা এটাক এ যদি আপনার শুভর অভিনয় ভালো লেগে থাকে তাহলে এখানেও ভালো লাগবে।

# অন্যদিকে ঐশীকে এখানে অনেক cute এবং innocent লেগেছে যেমনটা তাকে বাস্তবেও লাগে আরকি।

তার অভিনয় নিয়ে যদি বলি তাহলে আমার মনে হয়না ঐশী তার সেরা performance দিয়েছে। এছাড়া আমার কাছে মনে হয়েছে ঐশী এবং শুভর মধ্যকার romantic অংশগুলো ঠিকভাবে present করা হয়নি।

এছাড়া আমার কাছে BGM, সিনেমাটোগ্রাফি সব মোটামোটি ঠিকই লেগেছে।

প্রথম পরিচালক হিসেবে অভিষেক সানি সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদ এর কাজ আমি খারাপ বলবো না।

এই মুভির আরেকটা বিষয় আমার কাছে পজিটিভও লেগেছে আবার নেগেটিভও লেগেছে সেটা হলো সিনেমায় অনেক ব্র্যান্ড এর স্পনসরশিপ নেওয়া হয়েছে যেটা একটা পজিটিভ দিক কারণ বাংলাদেশের সিনেমাতে এখন ব্র্যান্ড কিংবা কোম্পানিরা টাকা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। কিন্তু সমস্যা টা হলো সিনেমায় product placement এত্ত মাত্রাতিরিক্ত ছিলো আর যেভাবে product placement গুলো দেখানো হয়েছে সেগুলো আসলেই চোখে লাগে এবং এই কারণে বিরক্তও লাগে।

তবে এখানে মুভির makers দেরকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। কারণ, ব্র্যান্ড গুলো সিনেমায় অর্থ বিনিয়োগ ঠিকই করছে কিন্তু নিজেদের প্রোডাক্ট বেশি বেশি দেখানোর জন্য মুভির makers দেরকে একটা pressure দিয়ে থাকে। হয়তো mission extreme এর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

মুভিটির ভালো লাগা দিক গুলোঃ

(১) মুভিটিতে দারুন কিছু ট্রিকস এন্ড একশন সীন ক্রিয়েট করা হয়েছে৷

বাংলাদেশী মুভির পুলিশের শুধু চোরের পিছনে দৌড়ানো নয়,

হলিউড বলিউডের মত ইন্টেলিজেন্সিকে দেখানো হয়েছে৷

এসব বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ব্যাবহার, আপনাকে মুগ্ধ করবে৷

অর্থাৎ আপনি বলতে বাধ্য হবেন,

বাংলাদেশের মুভিতে অনেক পরিবর্তন৷

(২) আরেফিন শুভর লুক। সম্পূর্ণ মুভিতে তাকে একজন আইকনিক হিরোর মতই লেগেছে৷

যেমন সুন্দর বডি বানিয়েছে, তেমন এক্সপ্রেশন আর অভিনয়টাও ভালো করেছে৷

(৩) হিরোইন, ভিলেন, পাশ্ব অভিনেতা সবাই ভালো করেছে অভিনয়ে৷

(৪) মুভির কিছু ঘটনা আপনাকে বাধ্য করবে, চুপ করে চোখ স্কীনে আটকে রাখতে৷

অর্থাৎ আপনি আগ্রহ নিয়েই অপেক্ষা করবেন, এখন কি হতে পারে৷

তবে সম্পূর্ণ মুভিতে না৷ ২-৩ টা বড় বড় সীনে৷

(হলিউডের মুভির মত করতে চেয়েছে পরিচালক)

(৫) অনেক অভিনেতার দেখা পাবেন৷ তাদের ডায়লগ বা সীন কম হলেও তারকায় ভরা ছিল মুভিটি।

(৬) বাংলা মুভিতে ৫ টা গান থাকবে, এই ট্রেন্ড টাও পাবেন না৷ সম্পুর্ণ মুভিতে মাত্র ১.৫ টা গান৷

(৭) মনে হবে না, সময় নস্ট হয়েছে।

(৮) গল্পটা কমন হলেও ভালো গল্প৷

খারাপ লাগা দিকঃ

(১) ব্রাইটনেস কম ছিল। বার বার মনে হচ্ছিলো এর একটু ব্রাইটনেস বাড়ালে ভালো লাগতো৷

(২) কিছু দৃশ্য না রাখলেও চলতো। ওগুলা রাখার জন্য কিছুটা খাপছাড়া লেগেছে৷

শুরুর দিকে বোরিং লাগতে পারে৷

(৩) প্রতিটা সীন অনেক জমাতে পারতো। ইমোশোন, আতঙ্ক আরো ক্রিয়েট করা যেতো৷

কিন্তু মনে হয়েছে, খুব দ্রুত শুট শেষ করেছে তাই, শুধু কাহিনী এগিয়েছে,

ইমোশনাল বা আতঙ্ক গুলো সেভাবে ফুটাতে পারেনি৷

(৪) গল্পটা আরো টুইস্ট করতে পারতো৷ আরো থ্রিল আনতে পারতো৷ কিন্তু কমন ইন্ডিয়ান “আতংবাদী vs পুলিশ” টাইপ গল্প হয়ে গেছে৷

(৫) কারো কারো অভিনয় হয়নি৷

মোট কথা, একটাই কথা বের হবে আপনার মুখ থেকে,

মুভিটা ভালো৷ আরো ভালো হলে ভালো হতো৷

(৭) পার্ট-২ বের হবে৷ পার্ট ২ এর টুইস্ট আরো দারুন ভাবে রেখে দিতে পারতো৷

কোথায় মুভি স্টপ করেছে সেটা বলবো না৷ ওটা মুভিতে দেখে নিবেন৷

আমার কাছে রেটিং-

একশন থ্রিলার হিসেবে – ৬/১০.

বাংলাদেশী মুভি হিসেবে -৮/১০.

শেষ কথাঃ আপনারা হলে গিয়ে বন্ধু-বান্ধবের সাথে মুভিটি উপভোগ করুন৷

সিনেপ্লেক্স গুলো হাউজফুল ছিল৷ দেখে ভালো লেগেছে৷

আসলে একটা মুভি থেকে ইনকাম টাই আসে সিনেমা হল থেকে৷।

ভালো প্রফিট আসলে ভালো মুভি বানাবে পরবর্তীতে৷

সিনেমার উন্নতি হবে৷

তাই যারা মুভি প্রেমী৷ তারা অবশ্যই দেখুন৷ খারাপ লাগবে না মুভিটা৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *